Header Ads

Header ADS

আদা একটি মসলা জাতিও খাদ্য, তবে আদাতে আছে ঔষধি গুনাগুন ।


 আদা একটি মসলা জাতিও খাদ্য, তবে আদাতে আছে ঔষধি গুনাগুন ।

আদা একটি মসলা জাতিও খাদ্য এটি প্রায় হাজার বছর ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে, বিভিন্ন মসলাদার খাবারে আদা কম বেশি ব্যবহার করা হয়, কিন্তু আমরা অনেকে জানিনা আদা হল এমন একটি অসাধারন মসলা, যাতে আছে ভরপুর ঔষধি গুনাগুন,যা আমাদের এনে দেয় একটি সুস্থ   সুন্দর জীবন।

আদার পুষ্টি গুনাগুন,আদাতে  বিভিন্ন  ভিটামিন  এবং  খনিজের  উপস্থিতি রয়েছে ,তাজা  আদা 100 গ্রাম এর মধ্যে আছে 79 ক্যালোরি, কার্বোহাইড্রেট  17.86 গ্রাম, খাদ্য তালিকাগত  ফাইবার  3.6 গ্রাম,
 প্রোটিন 3.57 গ্রাম, চিনি  0 গ্রাম, 14 মিমি  সোডিয়াম,  লোহা  1.15  গ্রাম,  ভিটামিন  সি  7.7 মিলিগ্রাম
33  মিগ্রা  পটাসিয়াম, এবং ভিটামিন বি  6 , ম্যাগ্নেজিঅ্যাম্,
Phosphorus , Zinc, Folate, Riboflavin, Niacin
বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে দেখা যায়  যে  আদাতে  শত শত যৌগ  এবং মেটাবলাইট  রয়েছে যা কিছু স্বাস্থ্য  নিরাময়ে অবদান  রাখতে  ভালো কাজ করে।   
   
আদা বাদাম এবং হলুদ বরাবর Zingiberaceae পরিবারের অংশ, এটি সাধারণত বাংলাদেশ সহ ভারত, জ্যামাইকা, ফিজি, ইন্দোনেশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ায় বেশী উত্পাদিত হয়
আদা আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় একটি খাদ্য উপাদান, এর যেমন উপকারিতা আছে, তেমনি অনেক অপকারিতাও রয়েছে
 
আদার ভালো গুণ সম্পর্কে আমাদের অনেকেরি অজানা কিছু কথা জানবো ।
আদা গ্যাসের সমস্যা দূর করে, মানুশকে সুস্থ করে তুলে, তাই পেটে গ্যাসের সমস্যা অনুভব করলে আদার উপর ভরসা রাখতে পারেন, যখনই গ্যাসের সমস্যা হবে তখনই আদা দিয়ে এক কাপ চা খেয়ে নিন, আদা কুচি করে কেটে হালকা লবণ এর সাথে চিবিয়ে খাবেন এতেও গ্যাস এর সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

আদা ব্যাথা দূর করে,বিজ্ঞানীদের ধারণা মতে, মাইগ্রেন এর প্রথম ধাপ থেকেই আদা খাওয়া শুরু করলে এর জীবাণুগুলো সংক্রমণ করা থেকে বিরত থাকে, এছাড়াও যারা সবসময় আদা খাবার অভ্যাস করে তাদের তুলনামূলক কম ব্যাথা থাকে শরীরে, তাই নিয়মিত অল্প পরিমানে আদা খাওয়া দরকার,এবং সুস্থ জিবনের জন্য আদা একটি অসাধারন খাদ্য।



ক্যান্সার  প্রতিরোধ  গবেষণা মূলক  জার্নাল  প্রকাশিত  একটি  গবেষণায়  জানা  গেছে যে আদিম  সম্পূরক গুলির ২০ স্বেচ্ছা সেবকদের  অন্ত্রের  মধ্যে  কোলোরেকটাল  ক্যান্সারের  ঝুঁকি হ্রাস করেছে আদা ,তাই আদা ক্যান্সার রোধে সহায়তা করে ক্যান্সার সংক্রমণের রোগ-জীবাণু ধ্বংস করে সুস্থ করে তুলে, এবং  কোলন ক্যান্সার এর জীবাণু-সমূহ আদা নষ্ট করে দেয়, তাই আদা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক সাহায্যকারী একটি খাদ্য ।

আদা বমি বমি ভাব দূর করে সুস্থ করে দেয়, যখনি বমি বমি ভাব হবে আদা খেতে পারেন সুস্থ অনুভব করবেন, আদা হোক আর আদার চকলেট, সিরাপ, আদার রসই হোক না কেন যেকোনো একটি খেলেই বমি ভাব দূর হয়ে যাবে।

আদা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে,একটি নতুন গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, আদা রক্তে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে ফেলে, যাদের ডাইবেটিক এর সমস্যা আসে তারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনতে আদা খাওয়া শুরু করতে পারেন,এতে আপনার ইনসুলিন এর ব্যবহার কমে যাবে, এবং ধীরেধীরে সুস্থ হয়ে যাবেন । 

আদা রক্ত জমাট রোধ করে,অস্ট্রেলিয়ান এক গবেষণায় দেখা গেছে, আদা শরীরের রক্ত জমাট দূর করতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে, রক্তের জীবাণু দূর করতেও এর জুড়ি নেই,তাই যাদের এ ধরনের সমস্যা আছে তারা নিয়মিত আদা খাওার খুবই দরকার ।   

সতর্কতা - আদা গর্ভবতীদের জন্য ভালো নয়,আদা গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে গবেষণাকালে মিশ্র ফলাফল পাওয়া গেছে, এক গবেষণা মতে আদা খাওার  ফলে গর্ভপাত বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ইউএস) ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) আদা কে খাদ্যর জন্য বিবেচনা করে যা "সাধারণত নিরাপদ হিসাবে স্বীকৃত"

গর্ভবতী, অথবা পল্টোনস, ডায়াবেটিস, বা রক্তের গন্ধযুক্ত ব্যাধি আছে তাদের  প্রথমে ডাক্তারের সাথে আলোচনা করা উচিত যে, আদা সেবন করতে পারবেন  কিনা । 

ধন্যবাদ, আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে এই লেখাটি পড়ার জন্য ।

No comments

Powered by Blogger.