শসার পুষ্টিগুন ও স্বাস্থ্য উপকারিতা
শসার পুষ্টিগুন ও স্বাস্থ্য উপকারিতা
শসা তরতাজা
একটি সবজি, আমাদের দেশে শসা সব ঋতুতে সব এলাকায় সহজে পাওয়া যায়, শসার রয়েছে অনেক গুণ,রূপচর্চা ও মেদ নিয়ন্ত্রণসহ নানা ধরনের পুষ্টি আছে এই সবজিটির, লবণ মরিচের গুঁড়া দিয়ে খাওয়া বা সালাদে শসার তুলনা হয় না, অতিথি আপ্যায়নে বা নিজেদের বিলাসী খাবার আয়োজনে শসার সালাদ থাকা আমদের
কাছে প্রয়জনিও মনে হয় ,এই তরতাজা শসাটি খাবারের রুচি বাড়ানো আর খাবারের অতিরিক্ত তেলচর্বির ধাক্কা সামলাতেও তুলনা হয় না, সুধু
সালাদ না আমাদের দেশে ভিবিন্ন ধরনের সুস্বাদু তরকারিও খাওয়া হয় এই তরতাজা শসা দিয়ে
।
শসা কেবল খাওয়ার জন্য নয়, প্রাচীন রোমে চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ছিল শসার ব্যবহার,ফ্রান্সে এবং ইংল্যান্ডে শসা চাষ শুরু হয় নবম ও ত্রয়োদশ শতকের দিকে,পঞ্চদশ শতকে এটি ঢুকে পড়ে আমেরিকায়, বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই বিপুল সমাদৃত একটি খাদ্য, ফল ভাবুন বা সবজি, পৃথিবী জুড়ে মানুষের খাদ্য তালিকায় এর অস্তিত্ব আছে, কাঁচা কিংবা সালাদ হিশাবে তো আছেই, বাংলাদেশ সহ অনেক স্থানেই প্রাপ্ত বয়স্ক শসা দিয়ে রান্না করা হয় মাছ-মুরগী-ডাল, রান্না হয় শসার সুপ সহ আরও নানা রকম সুস্বাদু খাবার,পশ্চিমা দেশ গুলোয় শসার আচারও প্রচলিত আছে।
শসাতে পানি আছে শতকরা ৯৫ ভাগ, ফলে এটি শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে এবং ভেতরের তাপমাত্রা কে নিয়ন্ত্রণ করে দেহ শীতল রাখতে সহায়তা করে
শসায় ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম, প্রতি ১০০ গ্রাম শসায় আছে মাত্র ১৫ ক্যালরি, এতে কোনো সম্পৃক্ত চর্বি বা কোলেস্টেরল নেই, সুতরাং বুঝতেই পারছেন যে ডায়েট করার ক্ষেত্রে শসা অসধারন বন্ধু হতে পারে আপনার, শসার এসব উপাদান আপনার শরীরকে নানা রোগ থেকে যেমন সামলে রাখছে তেমনি রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করছে ।
শসা টক্সিন
দূর করে ,শসা আমাদের দেহের বর্জ্য ও বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে দারুণ কাজ করে, নিয়মিত শসা খেলে দুর্গন্ধযুক্ত সংক্রমণ আক্রান্ত মাড়ির চিকিৎসায় কোন চিন্তা করার প্রয়োজন হবে না, গোল করে কাটা এক স্লাইস শসা জিহ্বার ওপরে রেখে সেটি টাকরার সঙ্গে চাপ দিয়ে আধ মিনিট রাখুন,শনার সাইটোকেমিক্যাল এর মধ্যে বিশেষ বিক্রিয়া ঘটিয়ে আপনার মুখের জীবাণু ধ্বংস করবে,এবং ধীরে ধীরে সজীব হয়ে উঠবে আপনার নিঃশ্বাস।
শসা মানব
শরিরের ভিটামিনের অভাব পুরন করে, প্রতিদিন আমাদের শরীরে যেসব ভিটামিনের প্রয়োজন, তার বেশির ভাগই শসার মধ্যে বিদ্যমান, ভিটামিন এ, বি ও সি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শক্তি বাড়ায়, সবুজ শাক ও গাজরের সঙ্গে শসা পিষে রস করে খেলে এই তিন ধরনের ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভাব।
শসা মানব শরীরের ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে, শসায় সিকোইসোলারিসিরেসিনোল, ল্যারিসিরেসিনোল ও পিনোরেসিনোল নামে তিনটি আয়ুর্বেদিক উপাদান আছে, জা জরায়ু, স্তন ও মূত্রগ্রন্থিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে এই তিন উপাদানের জোরালো সম্পর্ক রয়েছে ।
শসা হজম ও
শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে ,শসায় উচ্চমাত্রায় পানি ও নিম্নমাত্রার ক্যালরিযুক্ত উপাদান রয়েছে, ফলে যারা দেহের ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য শসা আদর্শ টনিক হিসেবে কাজ করে,কাঁচা শসা চিবিয়ে খেলে তা হজমে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে, নিয়মিত শসা খেলে দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর হয়, এবং
মানব শরীর সুস্থ থাকে ।
শসা ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়তা করে,শসা বা শসার রস ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে, ভিবিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, শসায় থাকা স্টেরল নামক উপাদান রক্তের কোলেস্টরলের আধিক্য কমাতে বিশেষ
ভূমিকা রাখে ।
শসা মানব শরীরের পানিশূন্যতা দূর করণে সহায়তা করে, পানির তৃষ্ণা মেটাতে শসা খুবই কার্যকরী, একটি শসা প্রায় ৯০ শতাংশ পানি ধারণ করায় খুব দ্রুত আপনাকে সতেজ করে তুলতে পারে,শসা খেলে দেহের দুর্বলতা কাটিয়ে খুব সহজেই প্রাণবন্ত করে তুলে ।
শসা গেঁটেবাতের ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়, শসায় প্রচুর পরিমাণে সিলিকা আছে,গাজরের রসের সঙ্গে শসার রস মিশিয়ে খেলে দেহের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নেমে আসে,এতে গেঁটেবাতের ব্যথা থেকে অতি
সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়।
শসা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে,একটি শসাকে নারকেল কুড়ানের মত করে ১০০ গ্রাম শসা কুড়ে নিতে হবে, এবার কুড়ানো শসাকে একটি ব্লেন্ডারে রাখুন, তাতে কিছুটা পানি দিন অন্য কিছু দেবেন না, যাদের ব্লেন্ডার নেই, তারা শিলাপাটায় শসা পিষে নিয়ে পানি মিশিয়ে সরবত তৈরী করে নিতে পারেন, এবার হয়ে গেল শসা পানির সরবত, এই ভিটামিন সরবত খালি পেটে সকালের নাস্তা খাবার ১৫-২০ মিনিট আগে খেয়ে নেবেন, এটা খাওয়া চালিয়ে যান একমাস পর্যন্ত, একমাস পর রক্ত পরীক্ষা করে নিতে পারেন কতটা পরিবর্তন হলো তা সহজেই বুজে যাবেন, শসা একটি প্রাকৃতিক সবজি, আমরা কত সবজিই তো কাঁচা খাই, সুতরাং এটা খেতেও সমস্যা নেই,এই সরবত খাওয়ার ফলে মস্তিস্কসহ ধমনীতে জমে থাকা প্রচুর এল ডি এল তথা আণবিক ওজন অপসারণের কাজ করে, এর ফলে ব্যক্তির স্মৃতিশক্তিও বৃদ্ধি পায়, শসার আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রনের সাথে সাথে কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় করতে সাহায্য করে।
শসা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে,শসায় আছে ভিটামিন সি, সিলিকা, পটাসিয়াম, ম্যাগনিসিয়াম ও খাবার উপযোগী আঁশ, বিদ্যমান এসব উপাদান শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে, তাছাড়া শসায় আছে স্টেরল নামের একধরণের উপাদান, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে, স্টেরল মুটিয়ে যাওয়া রোধ করতেও সহায়ক, শসা উচ্চ রক্তচাপ এবং নিন্ম রক্তচাপ দুটোকেই নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে, এমনকি শসার পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতেও অনেক সাহায্য করে।
শসা মাথাব্যথা দূর করণে সহায়তা করে,সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের মাথাব্যথা করার অভ্যাস আছে, শসায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও সুগার আছে, তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক স্লাইস শসা খেয়ে নিলে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর এ সমস্যা থাকে না ।
শসা চুল ও নখের সুস্থতা বজায় রাখে,শসায় থাকা খনিজ সিলিকা আমাদের চুল ও নখকে সতেজ ও শক্তিশালী করে তোলে, এ ছাড়া শসার সালফার ও সিলিকা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
শসা কিডনির সৃষ্ট পাথর দূর করণে সহায়তা করে,শসার মধ্যে যে পানি থাকে তা আমাদের দেহের বর্জ্য ও বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে অনেকটা অদৃশ্য ঝাড়–র মতো কাজ করে,নিয়মিত শসা খেলে কিডনিতে সৃষ্ট পাথরও গলে যায়।
শসা ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্যও খুব ভলো কাজ করে, শসায় উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম ম্যাগনেশিয়াম ও সিলিকন আছে যা ত্বকের পরিচর্যায় বিশেষ ভূমিকা রাখে, ত্বক পরিস্কার রাখতে শসার স্লাইস, জুস প্রভৃতি বেশ কাজে দেয়, এজন্য ত্বকের পরিচর্যায় গোসলের সময় অনেকে শসা ব্যবহার করে থাকেন, তাছাড়া সূর্যের তাপে ত্বকে জ্বালা অনুভব করলে শসা কেটে ত্বকে ঘঁষে দিলে ভাল ফল পাওয়া যাবে, শসায় উপস্থিতিতে সিলিকা মালস, কার্টিলেজ, লিগামেন্টের কানেকটিভ টিস্যু গড়ে ওঠে এবং মানব
দেহেকে শক্তিশালী ও মজবুত করে তুলে, ফলে শসায় বিদ্যমান খনিজ উপাদানসমূহ নখ, দাঁত ও মাড়ির জন্য খুবই উপকারি ।
শসা চোখের যত্নে ভালো কাজ করে,সৌন্দর্য চর্চার অংশ হিসেবে অনেকে শসা গোল করে কেটে চোখের পাতায় বসিয়ে রাখেন, এতে চোখের পাতায় জমে থাকা ময়লা যেমন অপসারিত হয়, তেমনি চোখের জ্যোতি বাড়াতেও কাজ করে, এমনকি চোখের প্রদাহ প্রতিরোধক উপাদান প্রচুর পরিমাণে থাকায় ছানি পড়া রোগ থেকেও
মুক্তি পাওয়া যায় ।
নারীর রূপচর্চায় শসার কয়েকটি ব্যবহার
শসাতে থাকা ব্লিচিং প্রপার্টিজ ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করে ত্বক উজ্জ্বল ও চামড়ার ভাঁজ সমান করে, সান বান (রোদ্রে পোড়া) দূর করতে বাইরে থেকে এসে প্রতিদিন শসার রস মুখ ধোয়ার পর লাগাতে পারেন।
শসা তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুব ভালো টোনার হিসেবে কাজ করে, এটি ত্বকের ওপেন পোর নিয়ন্ত্রণ করতে বেশি উপকারী, মুখ ধোয়ার পর শুধু শসার রস টোনার হিসেবে মুখে লাগাতে পারেন,একে আরো কার্যকারী করতে আপেল, সাইডার ভিনেগার, টমেটোর রস এবং এলভেরা জেল মিশিয়ে নিতে পারেন,ভালো ফল পাবেন ।
শসা মুখের
ব্রনের সমস্যা দূর করে,মুখের ব্রনের সমস্যা দূর করতে চাইলে ২ চা চামচ শসার রসের সাথে গোলাপ জল এবং মুলতানি মাটি মিশিয়ে প্যাক তৈরী করুন, এটি মুখে ভালো মতে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন, কিছুদিন নিয়মিত ব্যবহার ব্রনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে ।
শসা খাওয়ার ফলে শরীরের ত্বক হাইড্রেটেড এবং ময়েশ্চারাইজড থাকে, এর কারণ হচ্ছে শসার ৯৫% উপাদানই হচ্ছে পানি,শসার বিচিতে রয়েছে ভিটামিন-ই এবং পটাশিয়াম, যা ফাইন লাইন্স, রিংকেলসহ বার্ধক্যের বিভিন্ন ছাপ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল এবং যৌবনদ্বীপ্ত রাখে।
শসা বয়সের
ছাপ কমাতে সহায়তা করে ,বয়সের ছাপ লুকাতে ২ টেবিল চামচ টক দই, আধা চামচ মধু এবং ১ চামচ লেবুর রসের সাথে ২ চামচ গ্রেট করা শসা এবং ২টি ভিটামিন-ই ক্যাপসুল ভালো মতো মেশান, এবার এটি মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন,
এই প্যাকটি ফাইন লাইন্স ও রিংকেল দূর করে ত্বক টানটান এবং সুন্দর করে।
শসা তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা দূর করে, অনেকের মুখের ত্বক তৈলাক্ত, তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে কাঁচা হলুদ, লেবুর রস, এবং শসা পেস্ট একসাথে মিশিয়ে প্যাক তৈরী করুন, মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রাখুন, শুকিয়ে গেলে মুখ ভালো করে ধুয়ে ফেলুন,এই প্যাকটি চামড়ার অতিরিক্ত তেলভাব নিয়ন্ত্রণ করে,এবং যদি মুখের ত্বক শুস্ক হয় তঁবে ১ চা চামচ ওটমিল এবং পরিমাণ মত শসা পেস্ট তৈরী করে একসাথে মিশিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন,মুখে এবং ঘাড়ে মিশ্রণটি ভালো মতো মেখে ২০ মিনিট রাখুন,ত্বক ময়েশ্চায়ইজড রাখার জন্য মিশ্রণটির সাথে ১ চা চামচ মধুও মিশাতে পারেন।
শসা ডার্ক সার্কেল (কালশিটে) কমাতে বেশ কার্যকর,শসাতে থাকা এন্টি-অক্সিডেন্ট এবং সিলিকা চোখের কালশিটে কমিয়ে চোখের চারপাশের স্কিন ভালো রাখে, শসা স্লাইস করে কেটে অথবা তুলার মধ্যে শসার স্লাইসটি লগিয়ে সেই তুলা কিংবা শসার স্লাইসটি চোখের উপর ২০ মিনিট রাখুন, এভাবে নিয়মিত ব্যবহার করতে থাকুন,নিয়মিত ব্যবহারে চোখের নীচের কালশিট কমবে, এ ছাড়াও শসাতে থাকা এসকরবিক এসিড এবং ক্যাফেইক এসিড চোখের ফোলাভাব দূর করতে বেশি কার্যকরী।
শসা আমাদের
নক ভালো রাখে,আমাদের অনেকের নখ কোমল এবং ভঙ্গুর, তাই নিয়মিত শসা খেলে এর মাঝে থাকা প্রচুর পরিমাণে সিলিকা যা নখ শক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে, এতে নখের ভাঙ্গা কমে গিয়ে নখ শক্ত হয়।
শসা ত্বকের রুক্ষতা দূর করতে সয়াহতা করে,একটি শসা ব্লেন্ডারে ভালো মতে ব্লেন্ড করুন, ব্লেন্ড করা পেস্টে ২ চামচ লেবুর রস এবং ১ চামচ মধু মিশিয়ে মুখ ও ঘাড়ে লাগান,২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন, এই প্যাকটি ত্বকের রুক্ষ ভাব দূর করে চেহারা উজ্জ্বল করে।
শসা চুলের বৃদ্ধিতে
ভালো কাজ করে ,শসায় বিদ্যমান সালফার, সিডিয়াম, সিলিকন, ফসফরাস এবং ক্যালসিয়াম চুলের বৃদ্ধিতে অতুলনীয় ভূমিকা রাখে, এ ছাড়াও এটি চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে, শসা ও টমেটো ব্লেন্ডারে মিক্স করে জুস বানিয়ে খেতে পারেন।
শসা চুলের
গুরা মজবুতঁ করে ,একটি শসার খোসা ছাড়িয়ে ব্লেন্ডারে পেস্ট করে নিন,এবার একটি ডিমের মধ্যে তিন চা চামচ অলিভ অয়েল প্রথমে ভালো মতো মিশিয়ে এরপর এর সাথে শসার খোসার পেস্ট মিশিয়ে নিন, মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রাখুন, এরপর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন, এই প্যাকটি চুলের গোড়া মজবুত করে চুল স্বাস্থ্য উজ্জ্বল করে তোলে।
সাবধানতা
- তেতো শসার মধ্যেই
লুকিয়ে থাকা
ভয়ঙ্কর বিষ
হার্ট অ্যাটাক
বা কিডনি
বিকল করতে
পারে,তেতো শসা
খাওয়া বিপজ্জনক,
কারণ তেতো
শসা মানেই
তা টক্সিক,
যা বিষাক্ত,
বেশি শসা
খেলে ডিহাইড্রেশন
সমস্যা হতে
পারে, শরীরে
ওজন অস্বাভাবিক
কমে যেতে
পারে,এবং শসায় প্রচুর
পরিমানে ভিটামিন
সি থাকে,
শরীরে ভিটামিন
সি এর
আধিক্য কোষের
ক্ষতি করে,
শসায় পটাসিয়ামের
পরিমাণও থাকে
অনেক বেশি,বেশি
শসা শরীরে
পটাসিয়ামের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, যা
থেকে তলপেটে
ব্যথা, পেটের
রোগ এবং
কিডনি ক্ষতিগ্রস্থ
হতে পারে, শসায়
পানির ভাগ
প্রায় ৯০
শতাংশ, পানির
পরিমাণ বাড়ালে
শরীরে ভারসাম্য
নষ্ট হয়,
বিঘ্নিত হয়
পাচন প্রক্রিয়া,
তাই বুঝে
শুনে শসা
খান।
ধন্যবাদ, আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে এই লেখাটি পড়ার জন্য ।



No comments