ইসুবগুলের ভুসির কিছু স্বাস্থ্য উপকার
ইসুবগুলের ভুসির কিছু স্বাস্থ্য উপকার
অনিয়মিত জীবন যাপন ও
স্বাস্থ্যসম্মত খাবার না খাওয়ার কারনে আমরা দিনেদিনে স্বাস্থ্য যুকির মধ্যে
এগুচ্ছি তৈলাক্ত ও ভাজাপুরা খাবার আমাদের নিত্য অব্বাসে পরিনত
হয়েছে,আমাদের সুশাস্থের জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্য অব্বাস অত্তান্ত জরুরি।
আমাদের শরীরে বেশী
সমস্যা দেখা দেয় যদি আমাদের হজম প্রক্রিয়া সটীক ভাবে কাজ না করে , তাই আজ আমি একটি
প্রাকৃতিক উপাধানের কথা বলবো যা মানব জিবনে সুশাস্থের জন্য অত্তান্ত উপকারি,আর এটি
হল ইসবগুলের ভুসি এই ইসুবগুল ভুসির কিছু ঔষধি গুনাগুন নিছে উল্লেখ করলাম, হয়তবা
আপনার অনেক উপকারে আসতে পারে ।
ইসবগুলের ভুষিতে থাকা খাদ্যআঁশ
কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে যা আমাদেরকে হৃদরোগ থেকে সুরক্ষিত করে, হৃদরোগের
সুস্থতায় ইসবগুল সাহায্য করে কারন এটি উচ্চ আঁশ সমৃদ্ধ এবং কম ক্যালরিযুক্ত, তাই হৃদরোগ প্রতিরোধে এমন খাবারের কথাই বলে থাকেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা, এটি খেলে পাকস্থলীর দেয়ালে একটা পাতলা
স্তরের সৃষ্টি করে, যার ফলে তা খাদ্য হতে কোলেস্টেরল শোষণে বাধা দেয় বা শরীর কোলেস্টেরল শোষণ করতে পারেনা , বিশেষ করে রক্তের
সিরাম কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।
এছাড়াও এটি মানব শরীরের বড় একটি কাজ করে, এটি রক্তের অতিরিক্ত কোলেস্টেরল সরিয়ে দেয় যা থাকলে ধমনীতে ব্লকের সৃষ্টি হতে পারে।
এর ফলে তা হৃদরোগ এবং কোরোনারী হার্ট ডিজিজ থেকে আমাদের রক্ষা করে, তাই মানব শরীরের জন্য ইসবগুলের ভুষি খুবই উপকারি, হার্টকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত ভাবে খাবারের পর পর বা সকালে ঘুম থেকে উঠে ইসবগুল খওয়ার অব্বাস করা খুবই প্রয়োজন।
এছাড়াও এটি মানব শরীরের বড় একটি কাজ করে, এটি রক্তের অতিরিক্ত কোলেস্টেরল সরিয়ে দেয় যা থাকলে ধমনীতে ব্লকের সৃষ্টি হতে পারে।
এর ফলে তা হৃদরোগ এবং কোরোনারী হার্ট ডিজিজ থেকে আমাদের রক্ষা করে, তাই মানব শরীরের জন্য ইসবগুলের ভুষি খুবই উপকারি, হার্টকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত ভাবে খাবারের পর পর বা সকালে ঘুম থেকে উঠে ইসবগুল খওয়ার অব্বাস করা খুবই প্রয়োজন।
ইসবগুলের ভুষি যাদের ডায়াবেটিস
আছে তাদের জন্য খুবই ভালো, এটি পাকস্থলীতে যখন জেলির মত একটি পদার্থে রূপ নেয় তখন তা
গ্লুকোজের ভাঙন ও শোষণের গতিকে ধীর করে, যার ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে থাকে, খাবার
পর নিয়মিতভাবে দুধ বা পানির সাথে ইসবগুলের ভুষি মিশিয়ে পান করুন ডায়াবেটিস প্রতিরোধ
করতে,তবে দইয়ের সাথে মিশিয়ে খাবেন না এতে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে।
ইসবগুলের ভুষি হজম প্রক্রিয়াকে
সঠিক অবস্থায় রাখতে সাহায্য করে, যেমন ভাজা পোড়াসহ বিভিন্ন আইটেমের খাবার
আমরা খুব পছন্দ করি বা খাওয়া হয়,এই সময় হজমের সমস্যা দেখা দেয়,তাই নিয়মিত ভুসির শরবত খেলে হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে,এটি শুধু পাকস্থলী পরিষ্কার রাখতেই সাহায্য করে না এটি পাকস্থলীর
ভেতরের খাবারের চলাচলে এবং পাকস্থলীর বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনেও সাহায্য করে,তাই হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে নিয়মিতভাবে ইসবগুল ভুসি খেতে পারেন ,
রোজায় বেশিরভাগ
মানুষের অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকে,
আর এ অবস্থায় ইসবগুলের ভুষি হতে পারে ঘরোয়া প্রতিকার, ইসবগুল খেলে অ্যাসিডিটির বার্ন থেকে পাকস্থলীকে রক্ষা করে, এছাড়া এটি সঠিক হজমের জন্য বিশেষ ভাবে কাজ করে এবং পাকস্থলীর বিভিন্ন এসিড নিঃসরণ সহজ করে দেয় ।
মানুষ ভাবে রোজা থাকলে শরীর শুকিয়ে ওজন
কমে যায় তা কিন্তু নয়, রোজার সময় ইফতারে যা যা খাওয়া হয় তাতে দ্রুত ওজন
বেড়ে যায়,তাই এ সময় ওজন কমানোর উদ্দেশ্যকে সফল করতে ইসবগুলের ভুষি হচ্ছে উত্তম হাতিয়ার, এটি খেলে বেশ লম্বা সময় পেট ভরা থাকার অনুভূতি দেয় এবং ফ্যাটি
খাবার খাওয়ার ইচ্ছাকে কমায়, এছাড়াও ইসবগুলের ভুষি কোলন পরিষ্কারক হিসেবেও পরিচিত,
যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের
ইফতারের সময় ইসবগুলের ভুষি খুবই ভালো উপকার দিবে, এটি পাকস্থলীতে যখন
জেলির মত একটি পদার্থে রূপ নেয় তখন তা গ্লুকোজের ভাঙন ও শোষণের গতিকে ধীর করে, যার ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে খাবার পর নিয়মিতভাবে দুধ বা পানির সঙ্গে ইসবগুলের ভুষি মিশিয়ে
পান করুন।
ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার সঠিক
নিয়ম ,ইসবগুল বাংলাদেশ
ভারতসহ অনেক দেশেই বেশ পরিচিত ইসবগুলের ভুসি শরীরের আভ্যন্তরীণ পাচন তন্ত্রের সমস্যার একটি ঘরোয়া চিকিৎসা ও প্রতিকারের জন্য
বেশ উপকারী ।
তবে এই সাদা ভুসিটির উপকারিতা শুধু হজমতন্ত্রের মাঝেই সীমিত নয় এর অনেক ধরনের উপকারিতা রয়েছে, চলুন জেনে নিই ইসবগুলের ভুষির আরো অনেক উপকারিতা ।
তবে এই সাদা ভুসিটির উপকারিতা শুধু হজমতন্ত্রের মাঝেই সীমিত নয় এর অনেক ধরনের উপকারিতা রয়েছে, চলুন জেনে নিই ইসবগুলের ভুষির আরো অনেক উপকারিতা ।
ইসবগুলের ভুষিতে থাকে কিছু
অদ্রবণীয় ও দ্রবণীয় খাদ্যআঁশের চমৎকার সংমিশ্রণ যা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য খুব ভালো ঘরোয়া
উপায় হিসেবে কাজ করে, ইসবগুলের ভুষি পাকস্থলীতে গিয়ে ফুলে ভেতরের সব বর্জ্য পদার্থ
বাইরে বের করে দিতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে।
ওজন কমানোর উদ্দেশ্যকে সফল
করতে ইসবগুলের ভুষি হচ্ছে উত্তম হাতিয়ার, এটি খেলে বেশ লম্বা সময় পেট ভরা থাকার অনুভূতি
দেয় এবং ফ্যাটি খাবার খাওয়ার ইচ্ছাকে কমায়, এছাড়াও ইসবগুলের ভুষি কোলন পরিষ্কারক হিসেবেও
পরিচিত এটি পাকস্থলী থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে,হজম প্রক্রিয়াকে আরো বেশি কার্যকর করে স্বাস্থ্যবান থাকতে সাহায্য
করে,এবং অন্যান্য হজমজনিত সমস্যাও দূর করে।
কুসুম গরম পানিতে ২ চামচ
ইসবগুলের ভুষি ও সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিয়ে ভাত খাবার ঠিক আগে খেতে হবে,সকালে ঘুম
থেকে উঠে খালি পেটে খেলেও তা ওজন কমাতে সাহায্য করবে।
দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্যআঁশে
ভরপুর ইসবগুলের ভুষি হজম প্রক্রিয়াকে সঠিক অবস্থায় রাখতে সাহায্য করে,এটি শুধু পাকস্থলী
পরিষ্কার রাখতেই সাহায্য করে না এটি পাকস্থলীর ভেতরের খাবারের চলাচলেও এবং পাকস্থলীর
বর্জ্য পদার্থ সহজে বের করতে সাহায্য করে।
প্রাকৃতিক ভাবে দ্রবণীয় ও
অদ্রবণীয় খাদ্যআঁশে ভরপুর ইসবগুলের ভুষি যারা পায়ুপথে ফাটল এবং পাইলসের মত বেদনাদায়ক
সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য উত্তম,এটা শুধু পেট পরিষ্কার করতেই সাহায্য করেনা মলকে নরম
করতে সাহায্য করে ।
ইসবগুল কেনার সময় দেখে নিন,ইসবগুলের
ভুষি আমাদের দেশে বাজার থেকে শুরু করে সুপার মার্কেট সব জায়গাতেই বেশ সহজলভ্য,
তবে কেনার আগে কিছু ব্যাপার অবশ্যই খেয়াল রাখবেন,প্যাকেটজাত ইসবগুল কিনুন কখনোই খোলা ইসবগুল কিনবেন না সেগুলো নষ্ট ও ভেজাল থাকতে পারে যার ফলে এটি খেয়ে হয়তো ভালো ফলাফল নাও পেতে পারেন।
আজকাল প্যাকেটজাত বিভিন্ন ধরনের কৃত্রিম স্বাদের ইসবগুলের ভুষিপাওয়া যায়,তবে ভালো ফলাফল পেতে গেলে এসব কৃত্রিম স্বাদের ইসবগুল না খেয়ে সাধারণ ইসবগুল খান,বিভিন্ন দোকানে সাধারন ইসবগুলে কৃত্রিম স্বাদ ও রঙ যোগ করে বিশেষ কার্যকারিতার কথা বলে তা বিক্রয় করা হয় যা মূলত স্বাস্থ্যের জন্য খুবই খারাপ,তাই সাধারণ ইসবগুলের ভুষি খাওয়াই সবচেয়ে উত্তম।
ধন্যবাদ, আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে এই লেখাটি পড়ার জন্য।
তবে কেনার আগে কিছু ব্যাপার অবশ্যই খেয়াল রাখবেন,প্যাকেটজাত ইসবগুল কিনুন কখনোই খোলা ইসবগুল কিনবেন না সেগুলো নষ্ট ও ভেজাল থাকতে পারে যার ফলে এটি খেয়ে হয়তো ভালো ফলাফল নাও পেতে পারেন।
আজকাল প্যাকেটজাত বিভিন্ন ধরনের কৃত্রিম স্বাদের ইসবগুলের ভুষিপাওয়া যায়,তবে ভালো ফলাফল পেতে গেলে এসব কৃত্রিম স্বাদের ইসবগুল না খেয়ে সাধারণ ইসবগুল খান,বিভিন্ন দোকানে সাধারন ইসবগুলে কৃত্রিম স্বাদ ও রঙ যোগ করে বিশেষ কার্যকারিতার কথা বলে তা বিক্রয় করা হয় যা মূলত স্বাস্থ্যের জন্য খুবই খারাপ,তাই সাধারণ ইসবগুলের ভুষি খাওয়াই সবচেয়ে উত্তম।
ধন্যবাদ, আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে এই লেখাটি পড়ার জন্য।


No comments