Header Ads

Header ADS

এলাচের স্বাস্থ উপকারিতা ও ঔষধি গুনাগুন



এলাচের স্বাস্থ উপকারিতা ও ঔষধি গুনাগুন ।

এলাচ শরীরের হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে ফলে শরীরে স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়, এলাচ এর ঔষধি গুনাগুনে ডায়বেটিস ও ডিপ্রেশনের মত সমস্যা থেকেও মুক্তি পেতে সাহায্য করে, এমনকি, ক্যান্সারের মত রোগের বিরুধ্যে লড়াই করার ক্ষমতা দেয়।

এলাচ খাওয়ার নিয়ম হিসেবে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অল্প পরিমাণ এলাচ যোগ করলে আপনি এর নানা রকমের উপকারিতা পাবেন, এলাচের স্বাস্থ উপকারিতা বেশি মাত্রায় পেতে দুধে মিশিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন।

মানুষের জীবনে এলাচ হল একটি অতি প্রয়োজনীয় মশলা, আপনি নিশ্চই গরম মশলা-রকথা শুনেছেন ও ব্যবহার করে থাকেন, গরম মশলা হল আসলে নানা রকমের মশলার মিশ্রনে তৈরী হওয়া একটি গুঁড়ো বা গোটা মশলা , এই গরম মশলার অন্যতম একটি মশলা হল এলাচ, আসুন দেখা যাক এলাচের নানা রকমের স্বাস্থ্য উপকারিতার ব্যাখ্যা ।

এলাচ দানার গুড়ো একটু লেবুর রসের সাথে মিশিয়ে কেলে পেটের গ্যাস ও পেটে ব্যথার উপশম হয়, এলাচ ক্ষিদে বাড়ায়, দাতের মাড়ি শক্ত করে ও হজম শক্তি বাড়ায় ।

এলাচের গুড়ো আমলকির রসের সাথে মিশিয়ে খেলে প্রসাবের জ্বালাপোড়া ও হাত পা জ্বালার উপশম হয়,পিত্ত, রক্তের দোষ, চুলকানি, হাপানি, বমি ও কাশিতে অনেক উপকারী ।

এলাচের দানা মুখে রাখলে বমি বমি ভাব এবং মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়, বড় এলাচ পেট ফাপা ও কফ, পিত্ত এবং রক্তদোষ, মুখ ভিতর এর নানা রোগ ও মাথার সমস্যার জন্য এলাচ অত্তান্ত উপকারী ।

এলাচ বমি ও শ্বাস কষ্ট দূর করার ক্ষেত্রেও কার্যকর, অনেক সময় খাওয়ার কম বেশিতে পেটে বায়ু জমে, প্রসাব ভাল হচ্ছেনা, পেটটা কেমন যেন গুম মেরে থাকে, এ ক্ষেত্রে দুটি বড় এলাচ খোসাসহ ভালো করে  বেটে এক কাপ পানিতে গুলে সকালে খেতে হবে, তাতে যদি পুরোপুরি সমস্যা দূর না হয় তাহলে বিকেলে অনুরূপভাবে আর এক কাপ খাবেন আশা করি সুস্থতা অনুভব করবেন ।

হাত পা কামড়ানো বড় একটি সমস্যা, বিশেষ করে মহিলাদের কেত্রে এতা বেশি দেকা যায়, বড় এলাচ বাটা এক কাফ পানিতে দিয়ে নিয়মিত খেলে উপকার পাওয়া যাবে,বাতের ব্যথায় অর্ধেক চা চামচ এলাচের গুড়ো পরিমাণ মতে মধু সহ এক মাস পর্যন্ত রোজ একবার খাবেন আস্তে আস্তে সুস্থ অনুভব করবেন ।

চুলকানিতে কোন মলমে কাজ হয় না, সেখানে বড় ভালো করে বেটে গায়ে মাখতে পারেন, এজমা দীর্ঘ দিন হয়ে গেলে, কার্ভিয়াক এজমা যদি তার সাথে যুক্ত হয়, তাহলে সামান্য হাটলে বা কাজ করলে শ্বাস কষ্ট বেড়ে যায়, এ ক্ষেত্রে দুইটি বড় ও দুইটি ছোট এলাচ এক সঙ্গে বেটে এক কাপ পানিতে মিশিয়ে ছেকে খেতে হবে শ্বাস কষ্ট উপশমে এটা অত্যন্ত কার্যকর।

জোলাপ নিয়েও যাদের পায়খানা পরিস্কার হয় না, এবং পায়খানা পরিস্কার না হওয়ায় পেটে সামন্য ব্যথা করে,  একটি ছোট এলাচ বাটা আধা কাপ হালকা গরম পানিতে গুলে খাওয়া তাদের জন্য ভীষণ উপকারী।
তাছাড়া আপনার স্বাস্থ্যটা কেমন হবে তা নির্ভর করে বাড়ির রান্নাঘরের ওপর, এমন অনেক স্বাস্থ্যসচেতন মানুষ আছেন যারা কিছু গবেষণার মাধ্যমে অনন্য স্বাস্থ্যকর খাবারের হসিদ বের করে ফেলেন, এখানে এমনই এক তথ্য দেওয়া হলো
 এলাচের গুণাগুণ সম্পর্কে অনেকেই জানেন, এখানে জেনে নিন এলাচের পানির কথা একটানা ১৪ দিন এক ব্যক্তি এলাচের পানি খেয়েছেন, এরপর কী ঘটল? জেনে নেওয়া যাক তার ভাষাতেই 
আসলে শীতকালের শুরুতেই তিনি এলাচের পানি খাওয়া শুরু করেন। শীতে আসলে পানি খেতেও মানুষের ইচ্ছা করে না। তাই এলাচের পানিতে চেষ্টা চালালেন তিনি। এমনিতেই শীতের আবহাওয়ার ত্বক কিংবা চোখ শুকনো থাকে। হাড়-জিরজিরে অবস্থা রীতিমতো। কোষ্ঠকাঠিন্যও দেখা দেয় তাদের। অবস্থায় এলাচের পানি খেতে শুরু করলেন তিনি। 
পানি খুব কমই খাচ্ছিলেন তিনি, কেবল এলাচের পানি খাচ্ছিলেন, এমনিতেই তো পানি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো, কাজেই একটু বেশি বেশি এলাচ পানি খেতে আপাতদৃষ্টিতে কোনো আপত্তি নেই, প্রতিদিন সকালে খালিপেটে হালকা উষ্ণ পানিতে এলাচ ভিজিয়ে খেতে শুরু করি। এলাচের উপকারিতা তো মিলবেই,সঙ্গে পানির উপকারিতা বাড়তি, সকালে উঠেই এক বোতল এলাচ পানি প্রস্তুত করে ফেলতাম, দুপুরের মধ্যে তা শেষ, হালকা ঝাঁঝালো পানিতে উষ্ণতা মিলতো, এভাবে চলল ১৪ দিন।
 এরপর যা ঘটলআমার বিপাকক্রিয়া সুষ্ঠু হতে থাকলো, প্রাণশক্তি বৃদ্ধি পেলো, ক্লান্তিভাব আর আগের মতো আসে না, কাজের চাপে আগে প্রায়ই ক্লান্ত হয়ে যেতাম, কিন্তু এখন আর কোনো চাপই গায়ে লাগে না, একেবারে চনমনে হয়ে সকালে ঘুম থেকে উঠতাম। 
আমার ওজন কমে যায় জাদুর মতো নিয়মিত এলাচ পানি খাওয়ার পর ক্ষুধাও কমে আসে, যদিও তিনবেলাই খেতাম, কিন্তু ওজন স্বাস্থ্যকর পর্যায়ে চলে আসে,,ত্বকে জেল্লাই বেড়ে গেলো ১৪ দিনে,আগে এমনটা ছিল না, আগের ত্বক এবং এলাচ পানি খাওয়ার পরের ত্বকের পার্থক্য স্পষ্ট বুঝতে পারলাম। 
এমনই বেশ কিছু উপকারিতা মিলল, হজমশক্তি বেড়ে যায়, দেহে অবসাদ ভাব আর থাকে না, গোটা দিনজুড়ে কোনো খারাপলাগা অনুভূতিও উধাও হয়ে যায় । 
ধন্যবাদ, আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে এই লেখাটি পড়ার জন্য । 


No comments

Powered by Blogger.