পান মানব শরীরের জন্য খুবই উপকারি
পান মানব শরীরের জন্য খুবই উপকারি
অতীতে বাংলাদেশের সকল
অঞ্চলেই পানচাষ
করা হতো, যদিও
পান উৎপাদনের
ক্ষেত্রে দিনাজপুর,
রংপুর, মেদিনীপুর
(পশ্চিমবঙ্গে), চট্টগ্রাম জেলা ছিল বিখ্যাত, পানচাষের
জন্য যেমন
বিশেষ ধরনের
জমি প্রয়োজন
তেমনি প্রচুর
যত্নেরও দরকার, পানচাষের
জন্য নির্বাচিত
জমি সাধারণত
একটু উঁচু,
মাটির ধরন
শক্ত, জলাশয়
ও পুকুরের
ধারে বা
কাছে হওয়া
বাঞ্ছনীয়,পানের বাগানকে
বলা হয়
বরজ,
একটি
বরজের আয়তন
সাধারণত বারো
থেকে কুড়ি
শতাংশের মধ্যে
সীমিত থাকে।
পানের বরজ তৈরির
জন্য পাশের
কোনো জমি
থেকে মাটি
কেটে বরজের
স্থানে ফেলে
জায়গাটিকে উঁচু করে নিতে হয়,
প্রথাগত ভাবে বরজে সরিষার খৈল ও
গোবর সার
হিসেবে ব্যবহার
করা হতো,
বর্তমানে প্রচলিত
জৈবসারের সঙ্গে
রাসায়নিক সারও ব্যবহার করা হচ্ছে,
চাষের উপযোগী
করে জমিকে
তৈরি করার
পর মে
ও জুন
মাসে পানের
লতা রোপণ
করা হয়,
মাঝখানে দুই
ফুট দূরত্ব
রেখে চারাগুলি
সমান্তরাল লাইনে রোপণ করা হয়
এবং পরে
বাঁশের শলা
বা খুঁটি
পুঁতে তার
সঙ্গে পানের
লতাগুলি জড়িয়ে
দেয়া হয়।
পান খাওয়ার রীতি
আমাদের দেশে
বেশ পুরনো, আমাদের
দেশে প্রায় অনেক লোক কে দেখা যায় পান খেতে , তাছাড়া সনাতন ধর্মে বিভিন্ন
পূজায় পান
পাতার ব্যবহার
রয়েছে,
খালি পানের
স্বাদ ভাল
না-হলেও
চুন সুপারি
দিলে ব্যাপারটাই
জমে যায়, তবে
অনেকে পান
খাওয়া স্বাস্থ্যের
পক্ষে ক্ষতিকর
বলে মনে
করেন,
কিন্তু এই
ধারণা একেবারেই
ঠিক নয়, পান
খাওয়ার একাধিক
উপকারিতা রয়েছে, আয়ুর্বেদ
শাস্ত্র অনুযায়ী পান
খেলে ক্যান্সারের
মতো ভয়াবহ
রোগকেও প্রতিহত
করা যায় ।
পান খেলে হজমে সাহায্য করে,পান খেলে
মুখের ভিতরে লালা গ্রন্থির নিঃসরণ বেড়ে যায়, এ লালার কারণেই হজমের প্রথম ধাপের কাজ শুরু হয়। লালার মধ্যে থাকা বিভিন্ন এনজাইম বা উৎসেচক খাদ্যকে কণায় ভাঙতে সাহায্য করে যার ফলে হজম ভালো হয়, শুধু পান পাতা চিবিয়ে খেলেও এ উপকার পাওয়া যায়।
পান খেলে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে,খাবার গ্রহণের
পর
তার কণা মুখের ভেতরে, দাঁতের ফাঁকে
লেগে থাকে, এগুলো ব্যাকটেরিয়া পচিয়ে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে, পান খেলে তার রস জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে এসব ব্যাকটেরিয়াকে জন্মাতে দেয় না, যার ফলে মুখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং দুর্গন্ধমুক্ত হয়,পান
পাতা খাওয়ার
ফলে যে
রস উত্পাদন হয়
তা আমাদের
দাঁত আর
মাড়ি সুস্থ
রাখে ,এছাড়া
পান পাতার
রস আমাদের
মুখের ভেতরটা
পরিষ্কার রাখে,
এমনকী মুখের
মধ্যে রক্তপাতও
বন্ধ করে
, পানের রস মুখের ভিতরতা ভালো রাখতে সয়ায়তা করে
।
পান খেলে যৌন শক্তি বাড়ায়, এটি
একটি পুরনো প্রথা তবে কার্যকর, পানের রস যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে, আগেকার দিনে নববিবাহিতরা বেশি বেশি পান খেতেন, এবং
তাতে বেশ সুফলও পেয়েছেন।
পান খেলে গ্যাস্ট্রিক আলসার দূর করে, পান খেলে পেটে বায়ু জমে কম, যার ফলে গ্যাস্ট্রিক ও আলসার সৃষ্টির সুযোগ পায় না, পানের রস হজমে সাহায্য করায় তা পেটে বদ গ্যাস তৈরিও রোধ করে, যার ফলে পেট ফাঁপে না, পান
হজমশক্তি বাড়ায় সাধারণত খাওয়ার
পর পান
খাওয়া হয়,
কারণ পান
খাবার হজম করতে সাহায্য করে, গ্যাস, অম্বলও
কমায়, এছাড়াও যাদের কনস্টিপেশনের সমস্যা আছে
তাদের জন্যেও
উপকারী, পেট খারাপ হলে
পেটে যে
ব্যথা করে
অনেক সময় তাও
কমাতে সাহায্য
করে |
পান গাছের সিকর জন্মরোধ করে, পান গাছের
শিকড় বেটে রস করে খেলে ছেলে
পুলে হয়
না, জন্ম নিরোধক বড়ি না খেয়েও এটা জন্মনিয়ন্ত্রণে সেবন করা যায়, বিভিন্ন দেশের গবেষণায় এর প্রমাণও মিলেছে।
পান পাতার রসে মাথার উঁকুন মারে, মাথায় উঁকুন
হলে গোসলের কিছুক্ষণ আগে পান পাতার রস মাথায় লাগিয়ে বসে থাকলে উঁকুন মারা যায়, এ কাজে ঝাল জাতীয় পান হলে ভালো হয়।
পান পাথা শরীরের ফোঁড়া ফাটায়, পান
পাতার চকচকে সবুজ পিঠে ঘি মাখিয়ে একটু সেঁক দিয়ে গরম করে ফোঁড়ার ওপর লাগিয়ে দিলে দ্রুত ফোঁড়া পেকে ফেটে যায়, আবার পাতার উল্টো পিঠে ঘি মাখিয়ে একইভাবে বসিয়ে রাখলে তা পুঁজ টেনে বের করে আনে, ঘিয়ের বদলে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করেও একই ফল পাওয়া যায়।
পান পাতার রস চর্মরোগ সারায়, দেহের
কোথাও চুলকানি বা পাঁচড়া হলে সেখানে পান পাতার রস লাগিয়ে দিলে কয়েক দিনের মধ্যে তা ভাল হয়ে যায়।
পান পাতার রস মুখ ও দাঁতের উপকার করে, দাঁতের মাঢ়ি
দূষিত হলে ফুলে যায় এবং ক্ষতের সৃষ্টি হয়, এক্ষেত্রে পানের রসের সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে কুলকুলি করলে ধীরে ধীরে ক্ষত শুকিয়ে যায়,
মুখগহ্বরে কোনো
ক্ষত হলে পানের রসে তার উপশম হয়, পানের রসে এসকরবিক এসিড আছে যা একটি চমৎকার এন্টিঅক্সিডেন্ট,
এটা মুখের
ক্যান্সারও প্রতিরোধ করে।
পান পাতার রস নখের ব্যথা সারায়,অনেক সময়
নখের কোণায় ব্যথা হয়, এ অবস্থায় সেখানে কয়েক ফোঁটা পানের রস দিলে ব্যথা চলে যায়।
পান পাতার রসে আঁচিল দূর করে, মাঝে মধ্যে আমরা অনেকের শরিরেই আঁচিল
দেখতে পাই, কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা শরীরে আঁচিল
হলে তার উপর কয়েক দিন পানের রস লাগালে ধীরে ধীরে আঁচিল
খসে পড়বে
, এবং ওই জায়গায় আর আঁচিল
তৈরিও হবে
না।
পান ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে,পান
রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বলে ভিবিন্ন
গবেষণায় জানা
গেছে, ফলে পানে রয়েছে ডায়াবেটিস প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য।
পানের রস সর্দি বের করে সুস্থ করে তুলে,বুকের
ভেতর কফ,সর্দি বা শ্লেষ্মা জমা হলে তা বের করতে পানের রস কার্যকর, এ ক্ষেত্রে পানের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে কয়েক দিন খেতে হবে,এতে বুকে জমা কফ বেরিয়ে যাবে।
পানের রস মাথা ব্যথা দূর করে সুস্থ করে তুলে,মাথা
ব্যথা হলে কপালে পানের রস লেপে দিলে দ্রুত মাথা ব্যথা কমে যায়, এবং
কিছু সময়ের মধ্যে সুস্থ অনুভব করা যায় ।
পান পাতা ক্ষত ও ব্যথা সারায়,পান বেদনা নাশক ও
ক্ষত সারানোর ক্ষমতা আছে, কোথাও ব্যথা হলে পান পাতা বেটে মলমের মতো সেখানে লেপে দিলে দ্রুত ব্যথা কমে, দেহের ভেতরে কোথাও ব্যথা হলে পানের রস করে পানিতে মিশিয়ে তা শরবতের মতো খেতে হবে, শুধু পান পাতা চিবিয়ে এর রস খেলেও এ উপকার মিলবে।
পান পাতা ঠাণ্ডা লাগা দূর করে, ঠাণ্ডা লাগা
সারাতে পান চমৎকার কাজ করে, ঠাণ্ডা লাগলে সর্দি কাশিও হয়, এক্ষেত্রে পানপাতা গরম পানি দিয়ে ছেঁচে রস বের করতে হবে, এ রসের সঙ্গে এক চিমটি গোলমরিচের গুঁড়া ও আদার রস মিশিয়ে খেতে
হবে।
পান পাথা ক্ষুধা বৃদ্ধি করে, পাকস্থলী গড়বড়
হলে সবই উল্টে যায়, খিদেও লাগে না। পাকস্থলীতে অম্লমান বা পিএইচের মাত্রা স্বাভাবিক না থাকলেই এরূপ হয়, পান তা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে, শুধু পান পাতা চিবিয়ে খেলেও ক্ষুধা বাড়বে।
পান পাতার রস এন্টিসেপটিকের কাজ করে, কোথাও কেটে
গেলে দ্রুত সেখানে পানের রস লাগিয়ে দিলে জীবাণু সংক্রমণের ভয় থাকে না, পান পাতা পলিফেনল বিশেষত চাভিকল নামক রাসায়নিক উপাদানে পূর্ণ, এটা জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে, এ ছাড়া সেখানে ফোলাও বন্ধ করে, ব্যথার উপশম
করে।
পান পাতার রসে পিঠে ব্যথার উপশম করে, নানা কারণে
পিঠে ব্যথা হতে পারে, অনেক
সময় ঘুম বা শোয়া থেকেও
হয়, বয়স্কদের এ সমস্যা প্রায়ই দেখা দেয়,মাংসপেশির টান থেকেও এরূপ ব্যথা হতে পারে, এক্ষেত্রে ব্যথা জায়গায় পান পাতা দিয়ে সেঁক দিলে উপকার মেলে, এ ছাড়া পান পাতার রসের সঙ্গে নারিকেল তেল মিশিয়ে ব্যথা জায়গায় মালিশ করলে ব্যথা কমে।
পান পাতার রস মূত্র স্বল্পতা ও মূত্রকৃচ্ছতার উপশম করে,যাদের কম
প্রস্রাব হয় বা প্রস্রাব করতে গেলে কষ্ট হয় তারা পান পাতার রস সেবন করে উপকার পেতে পারেন, এক্ষেত্রে ১টি পান পাতা ছেঁচে রস করে নিতে হবে,সেই রস একটু দুধের সঙ্গে মিশিয়ে পান করলে উপকার হবে, এতে দেহে পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়বে ও মূত্রকৃচ্ছতা চলে যাবে।
পান পাতা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়, পান পাতায়
আছে চমৎকার এন্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় ও দেহে ক্যান্সার সৃষ্টি প্রতিরোধ করে, এজন্য রোজ ১০-১২টি পান পাতা পানিতে ৫ মিনিট জ্বাল দিতে হবে, এরপর তা নামিয়ে ছেঁকে নিতে হবে, একটু ঠাণ্ডা হলে তাতে কয়েক ফোটা মধু মিশিয়ে কুসুম গরম থাকতেই পান করুন, রোজ এটি খেতে পারলে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে।
পান পাতা শিশুদের পেট ব্যথা কমায়,পেটে ব্যথা
হলে ছোট্ট শিশুরা কাঁদতে থাকে, বড় শিশুরা পেট চেপে ধরে কাতরাতে থাকে, এ অবস্থায় পান পাতার চকচকে পিঠে নারিকেল তেল মাখিয়ে তা গরম করে সেই পাতা পেটের ওপর চেপে ধরে সেঁক দিতে হবে, ৩-৪ মিনিট পর পর এভাবে কয়েকবার সেঁক দিলে পেটে ব্যথা কমে যাবে,খেয়াল রাখতে হবে সেঁকের সময় তাপটা যেন বেশি না হয়।
পান পাতা পোড়া সারায়, মানুষের শরীরের কোনও জায়গা পুড়ে
গেলে সেখানে প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া হয়, পোড়া জায়গায় পান পাতা বেটে তার সঙ্গে ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে প্রলেপ দিলে যন্ত্রণার উপশম হবে ও পোড়া জায়গা শুকিয়ে যাবে।
পান পাতা কানের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে ,পান পাতার আরো একটা বড় বেনিফিট হল এটা কানের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে, কয়েক ফোঁটা পানের রস আর কয়েক ফোঁটা নারকেল তেল একসঙ্গে মিশিয়ে কানের মধ্যে দিলে ব্যথা কমে যাবে, তবে এই ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াই ভালো |
পান পাতা অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন, ছোট খাটো কাটা ছেড়ায় পান বেটে লাগিয়ে দিতে পারেন ,এছাড়াও যাদের আর্থারাইটিস আছে তাদের ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে পান পাতা ।
পান পাতা ডিওডোরেন্টের কাজ করে , গোসল করার জলে কিছুটা পান পাতার রস মিশিয়ে নিন ,এই জল দিয়ে গোসল করলে সারাদিন ফ্রেশ লাগবে, এছাড়া ঘাম কম হবে , পান পাতা দিয়ে জল ফুটিয়ে ঠান্ডা করে সেই জল পান করলে ঘামের গন্ধ কমবে ,এমনকী মহিলাদের মেনস্ট্রুয়েশন স্মেল ও কমবে ।
পান পাতা প্রস্রাব করতে সাহায্য করে, বিশেষত কিডনির রোগ আছে যাদের তাদের প্রস্রাব করতে কষ্ট হয় ,এই কষ্ট কমাতে সাহায্য করে পান পাতা, শরীর থেকে দ্রুত জল বের করে দেওয়ার ক্ষমতা আছে পান পাতার , দুধের সঙ্গে পান বেটে খেলে এই ব্যাপারে সাহায্য পাবেন ।
পান ত্বকের জন্য ভালো, খুব কম লোকেই জানে পানে যে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল প্রপার্টি আছে তা পিম্পল, অ্যাকনে সহজেই সারিয়ে তোলে ,এছাড়া বিভিন্ন স্কিন অ্যালার্জি, ফুসকুড়ি, কালো ছোপ, সান বার্ন সারিয়ে দেয়, এর জন্য কয়েকটা তাজা পান পাতা আর কাঁচা হলুদ একসঙ্গে বেটে লাগাতে হবে ।
পান অ্যান্টি ফাংগাল, শরীরের যে সব অংশে ফাংগাল ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা আছে, যেমন পায়ের আঙুল, প্রভৃতি সেই সব জায়গায় পানপাতার রস লাগান, কয়েকদিনের মধ্যে ইনফেকশন সেরে যাবে ।
পান মেটাবলিজম বাড়ায়, নিয়মিত পান খেলে শরীরের মেটাবলিজম বাড়ে , এর ফলে ব্লাড সার্কুলেশন বেড়ে যায়, যা বিভিন্ন প্রটিন, ভিটামিন, মিনারেল অ্যাবজর্ব করতে সাহায্য করে ।
সতর্কতা -
বহু গুণে ভরপুর এই
পান আবার
অতিরিক্ত খেলে
অনেক রোগ
অথবা শারীরিক
সমস্যার সৃষ্টি
করতে পারে, পানের
সঙ্গে জর্দা
মিশিয়ে খেলে
পানের গুণ
নষ্ট হয়ে
যায়, ফলে
বেশি মাত্রায় পান খেলে মুখ এবং
চোখের রোগ
হতে পারে, পানের
সঙ্গে বেশি
খয়ের খাওয়ার
অভ্যাস থাকলে
ফুসফুসে ইনফেকশন
হতে পারে, অতিরিক্ত
পরিমাণে পানে
চুন, জর্দা,
খয়ের ও
তামাক পাতা খেলে মুখের নানা অসুখ,
এমনকি ওরাল
ক্যান্সারও হতে পারে, পানের
সাথে বেশি
মাত্রায় চুন খেলে দাঁতের
ক্ষতি হয়, যেহেতু
পান উষ্ণ
এবং পিত্তকারক,
তাই শিশুরা
এবং অন্তঃস্বত্ত্বা
নারীদের পান
খাওয়া উচিত
নয়, পানের
বোঁটা ও শিরার রস ইন্দ্রিয়ের শক্তি কমিয়ে দেয়,
তাই পানের বোঁটা খাওয়া উচিত নয়, যারা মূর্চ্ছা রোগী, যক্ষ্মা রোগী
ও
যাদের চোখ উঠেছে তারা
পান খাওয়া থেকে দূরে থাকা ভালো ।
ধন্যবাদ,
আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে এই লেখাটি পড়ার জন্য ।


No comments