টক ফল চালতার আছে অসাধারন পুষ্টি ও ঔষধি গুন
টক ফল চালতার আছে অসাধারন পুষ্টি ও ঔষধি গুন
চালতা আমাদের
দেশে একটি শ্বাদের টক ফল বা খাবার ,চালতার নাম
শুনলেই আমাদের
অনেকেরি জিবে পানি এসে যায়, চালতার আচার অনেক মজাদার,
এই আঁচারটি
আমাদের প্রায়
অনেকেরই পছন্দের ,চালতার
আঁচার অনেক
মজাদার হলেও
চালতা ফলটি
যে খাওয়া
যায় তা
কিন্তু আমরা
অনেকেই জানি
না, অনেক
সহজলভ্য এবং
পুষ্টি সমৃদ্ধ
এই ফলটি
কিন্তু আমাদের
দেশে খুব
সহজেই পাওয়া
যায়, চালতা
গাছ সাধারণত
মাঝারি আকারের
হয়ে থাকে
এবং মে-জুন মাসে
ফুল ধরে,
এরপর ফল
ধরে এবং
সাধারণত ডিসেম্বর-
জানুয়ারী মাসে
ফল পাকে,
অনেক পুষ্টি
সমৃদ্ধ চালতা
ফল আমাদের
রোগ প্রতিরোধ
করতে যেমন
সাহায্য করে
তেমনি পুষ্টির
চাহিদা মেটাতেও
বেশ ভূমিকা
পালন করে
,এবং পুষ্টিকর এই চালতার আছে অনেক ঔষধি গুন, চালতা মানব শরীরের জন্য অনেক
উপকারি একটি টক ফল ।
চালতা খুবই সহজলভ্য
হলেও এর
পুষ্টিগুণ কিন্তু মোটেও অবহেলা করার
মত নয়,
এতে আছে
ভিটামিন এবং
উপকারী সব
খনিজ উপাদান
।
প্রতি ১০০ গ্রাম
চালতায় আছে
৫৯ কিলক্যালরি
খাদ্যশক্তি, ১৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৫৮
মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ২০ মিলিগ্রাম
ভিটামিন এ,
৮ মিলিগ্রাম
আমিষ, ১৪
মিলিগ্রাম শ্বেতসার, ১০ মিলিগ্রাম খনিজ
লবণ, ০.২ গ্রাম
চর্বি। এছাড়াও
এতে আছে
ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, বিটাক্যারোটিন, থায়ামিন,
রিবোফ্লাবিন, ভিটামিন বি- এর মত
অনেক প্রয়োজনীয়
উপাদান যা,
নানা ভাবে
আমাদের শরীরের
অনেক উপকার
করে থাকে।
চালতা দাত ও
মাড়ির সুরক্ষা করে, চালতায় আছে প্রচুর
পরিমাণে ভিটামিন
সি যা
আমাদের দাঁত,
দাঁতের মাড়ির
স্বাস্থ্যে অনেক উপকারী, এছাড়াও মুখের
ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে চালতা অনেক কার্যকর,
আমাদের স্ক্যাভি
রোগ প্রতিরোধ
করতে চালতা
অনেক গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন
করে থাকে।
চালতা জ্বর ও
বুকের কফ সারাতে সাহায্য করে,কাঁচা চালতার
রস চিনি
এবং পানি
দিয়ে সরবত
করে খেলে
জ্বর কমে
যায়, এছাড়াও
এই সরবত
খেলে কাশি
ভালো হয়
এবং যাদের
বুকে কফ
জমে থাকে
তারা এটি
খেলে অনেক
উপকার পাবেন
।
চালতা কোষ্ঠোকাঠিন্য
দূর করে,
চালতায় প্রচুর পরিমাণে আঁশ
থাকায় এটি
আমাদের কোষ্ঠোকাঠিন্য
দূর করতে
সহায়তা করে, তাই এই সমস্যার
কারণে যাদের
সকালটা অনেক
কষ্টের হয়ে
থাকে তাদের
জন্য চালতা
ভীষণ উপকারী,
এছাড়াও
চালতা বদহজম
এবং পেটের
নানা সমস্যা
দূর করে,ডায়েরিয়া
প্রতিরোধে কাঁচা চালতার রসের কোনো
তুলনা নেই।
চালতা আলসার
সারাতে সাহায্য করে, যাদের পাকস্থলীতে
আলসার আছে
তাদের জন্য
চালতা দারূণ
উপকারী, এছড়াও
আমাদের অন্ত্রে
বাস করা
ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে চালতা, কৃমি
প্রতিরোধের অসাধারণ কাজ করে থাকে
চালতা।
চালতা কোলেস্ট্রল
নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, আমাদের রক্তের
খারাপ কোলেস্ট্রল
নিয়ন্ত্রণে চালতা অনেক উপকারী, খারাপ
কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণে থাকার ফলে আমাদের
হার্ট ভালো
থাকে, এছাড়াও
কুসুম গরম
পানিতে চালতার
রস এবং
চিনি মিশিয়ে
খেলে রক্ত
পরিস্কার থাকে।
চালতা রক্তে
লোহিত কনিকা বৃদ্ধি করে,চালতায় থাকা
আয়রন আমাদের
রক্তে লোহিত
কণিকার উৎপাদন
বৃদ্ধি করে
এবং রক্ত
সংবহন ঠিক
রাখে তাই
চালতা খেলে এ ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
চালতা ক্যান্সার
প্রতিরোধ করতে
সাহায্য করে, চালতায় আছে বিশেষ ধরনের
কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
যা, আমাদের
জরায়ু এবং
স্তন ক্যান্সার
প্রতিরোধ করে
থাকে।
ধন্যবাদ, আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে এই লেখাটি পড়ার জন্য
।


No comments