7 Ways to Live a Healthy Life - সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার ৭টি উপায়
7 Ways to Live a Healthy Life-সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার ৭টি উপায় ।
People all over the world expect to live a healthy life, and
to live a happy life until the last moment of life.
Dr Don Harper is a very well-known doctor in the UK.
He has gained a lot of popularity by appearing on television
on human health, and his medical knowledge has been acclaimed by viewers. He
recently wrote a book, Bite Name 101 Years to Live Healthy.
Here are seven tips for wellness and longevity.
Getting enough sleep - Exactly how much sleep you get during
the day and how that sleep works is important for healthy living, too much
sleep is just as bad as getting too little sleep, says Dr. Harper, so you need
to get enough sleep.
Getting enough sleep is very important, so those of us who
have been blindfolded for a while to meet our sleep needs to be a little more
careful, he said, adding that taking a short nap during the day, which we call
catnap, is what we're talking about. I know, but it has to be okay, like a
battery is fully charged, it won't be normal if we just try to run it with a
catnap, We fall into a deep sleep several times a night, naturally.
Walk - Many of us spend a lot of time sitting, and it's not
good for our health, the good news is that we don't have to be marathon runners
to do this; all we have to do is move our body a little - that is, walk.
We have to walk by the rules every day. Dr. Harper, in
writing his book, talked to a lot of people who have lived for over a century.
Didn’t even go to play, but they walked a lot.
Give your liver a little rest - a glass of red wine may be something
to enjoy, but Dr. Harper says you need to refrain from drinking it every
evening.
Of course you can’t drink every night, you have to give your
liver a little rest, he said. At least two days a week.
Learn about your genes - you may be more prone to certain
illnesses, but Dr. Harper says knowing the history of illnesses in your family
or other family members can help us live healthier and happier lives.
So it's good to know about family 'disease,' he said. It
would be to our advantage to know, let's say heart disease, I don't want to
suffer in my life anymore, but I might be a little more aware of the X and Y
chromosomes.
Be aware of carbohydrates - avoiding carbs like rice and
bread may be a fad these days, but Dr. Harper says that for a balanced diet we
need to eat all of these, there is nothing to be too happy about, there are
some precautions to take.
Choosing to eat carbohydrates like bread and rice, I would
always say to eat a little more complex type (coarse flour) carbs instead of
refined or smooth carbs, such as brown rice, coarse flour bread with whole
grains.
Smile every day - it is a great pleasure to live a healthy
life, remember it should not be seen as part of daily chores, a change of
mindset is needed here, Dr. Harper said, a positive attitude is very important,
to be happy Will keep you happy every day,
While researching to write the book, he found a study done by
a scientist where he found a relationship between longevity and happiness.
Find a way to stay stress free - Many of us live in a variety
of stressors or suffer from stress, it has a negative impact on our health, it
harms both physical and mental health.
Stress needs to be reduced, stress today is due to various
reasons, it may be due to work, it may be due to relationship, it may be due to
family, but everyone has to find a way to get rid of this stress separately,
because it depends on each person. Working individually, says Dr. Harper,
requires the help of a physician or other professional.
This article was written by a doctor after various
researches, surely Allah Almighty has given Ana the ability to acquire such
ignorance.
Thanks, for your valuable time reading this article.
7 Ways to Live a Healthy Life-সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার ৭টি উপায় ।
সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকাটাকে সারা পৃথিবীর মানুষ ই প্রত্যাশা করে, এবং জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত একজন সুখী মানুষ হিসেবে জীবনযাপন করতে প্রত্যাশা করে।
যুক্তরাজ্যে অত্যন্ত সুপরিচিত একজন চিকিৎসক ডঃ ডন হারপার।
মানুষের স্বাস্থ্যের উপর টেলিভিশনে অনুষ্ঠান করে তিনি খুব জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন, এবং তার চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞান দর্শকদের কাছে প্রশংসিত হয়েছে,সম্প্রতি তিনি একটি বই লিখেছেন, বাইটির নাম ১০১ বছর সুস্থ হয়ে বাঁচুন।
সুস্থতা এবং দীর্ঘ আয়ুর জন্যে এখানে তার দেওয়া সাতটি টিপস তুলে ধরা হলো ।
ঠিক মতো ঘুমান - দিনে ঠিক কতোটুকু সময় ঘুমাচ্ছেন এবং সেই ঘুম কেমন হচ্ছে সেটা সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ, খুব বেশি ঘুম যেমন খারাপ তেমনি খারাপ অল্প ঘুমও, ডঃ হারপার বলছেন, সেকারণে ঠিকঠাক মতো ঘুমাতে হবে।
ঠিক মতো ঘুমানো খুব জরুরি ফলে আমরা যারা ঘুমের চাহিদা মিটিয়ে নিতে অল্প একটু সময় চোখ বন্ধ রেখে ভাবছি যে আমাদের ঘুম হয়ে গেছে, তাদেরকে একটু সতর্ক হতে হবে, তিনি বলেন, দিনের বেলা অল্প কিছুক্ষণের জন্যে ঘুমিয়ে নেওয়া, যেটাকে আমরা ক্যাটন্যাপ বলি, সেটার কথা আমরা জানি, তবে সেটা ঠিকঠাক মতো হতে হবে, যেমন একটা ব্যাটারিকে পুরোপুরি চার্জ দেওয়া হয়, আমরা যদি শুধু ক্যাটন্যাপ দিয়ে চালিয়ে নেবার চেষ্টা করি তাহলে সেটা স্বাভাবিক হবে না, রাতের বেলা আমরা বেশ কয়েকবার গভীর ঘুমে তলিয়ে যাই।
হাঁটাচলা করুন - আমাদের অনেকেই প্রচুর সময় বসে থেকে কাটাই, এবং এটা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো নয়, সুসংবাদ হচ্ছে যে এজন্যে আমাদের ম্যারাথন রানার হতে হবে না, যেটা করতে হবে সেটা হলো শরীরটাকে একটু নাড়ানো- মানে হাঁটাচলা করা।
আমাদের প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটাচলা করতে হবে, ডঃ হারপার তার বই লিখতে গিয়ে এরকম বহু মানুষের সাথে কথা বলেছেন যারা এক শতাব্দী কাল ধরে বেঁচে আছেন, তিনি দেখেছেন, তাদের সবার মধ্যেই একটি জিনিসের মিল আছে, সেটা হলো তারা কিন্তু কোন অ্যারোবিকসের ক্লাসে যায়নি, কিম্বা স্কোয়াশ খেলতেও যায়নি, কিন্তু তারা প্রচুর হেঁটেছেন।
আপনার লিভারকে একটু বিশ্রাম দিন - এক গ্লাস রেড ওয়াইন হয়তো অনেকের কাছে খুব আনন্দের কিছু, কিন্তু ডঃ হারপার বলছেন, প্রতিদিন সন্ধ্যায় পান করা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে।
তিনি বলেন, অবশ্যই প্রত্যেক রাতে পান করা যাবে না, আপনার লিভারকে একটু বিশ্রাম দিতে হবে। সপ্তাহে অন্তত দু'দিন।
আপনার জিন সম্পর্কে জানুন - বিশেষ কোন অসুখে পড়ার প্রবণতা হয়তো আপনার মধ্যে বেশি থাকতে পারে,কিন্তু ডঃ হারপার বলছেন, আপনার পরিবারের বা বংশের অন্যান্য সদস্যদের অসুখ বিসুখের ইতিহাস জানা থাকলে সেটা আমাদেরকে সুস্থ ও সুন্দর জীবন যাপন করতে সাহায্য করতে পারে।
তাই পারিবারিক' অসুখের বিষয়ে জানা থাকা ভালো,তিনি বলেন, জিন যে শরীরে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সেটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই, এই মুহূর্তে হয়তো আমি আমার জিন নিয়ে বেশি কিছু করতে পারবো না, কিন্তু কোন কোন জিনের কারণে আমরা বিশেষ একটি রোগে আক্রান্ত হচ্ছি সেটা জানলে আমাদের সুবিধা হবে, হৃদরোগের কথাই ধরুন,আমি তো আর আমার জীবন নিয়ে যন্ত্রণায় ভুগতে চাই না, কিন্তু আমি হয়তো এক্স এবং ওয়াই ক্রোমোজোম সম্পর্কে আরো একটু সচেতন হতে পারি।
তাই পারিবারিক' অসুখের বিষয়ে জানা থাকা ভালো,তিনি বলেন, জিন যে শরীরে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সেটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই, এই মুহূর্তে হয়তো আমি আমার জিন নিয়ে বেশি কিছু করতে পারবো না, কিন্তু কোন কোন জিনের কারণে আমরা বিশেষ একটি রোগে আক্রান্ত হচ্ছি সেটা জানলে আমাদের সুবিধা হবে, হৃদরোগের কথাই ধরুন,আমি তো আর আমার জীবন নিয়ে যন্ত্রণায় ভুগতে চাই না, কিন্তু আমি হয়তো এক্স এবং ওয়াই ক্রোমোজোম সম্পর্কে আরো একটু সচেতন হতে পারি।
কার্বোহাইড্রেটের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে - ভাত ও রুটির মতো কার্ব পরিহার করা আজকালকার দিনে হয়তো একটা ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে, কিন্তু ডাঃ হারপার বলছেন, ব্যালেন্সড ডায়েটের জন্যে আমাদেরকে এসবও খেতে হবে, খুব বেশি আনন্দিত হবার কিছু নেই,এখানেও কিছু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
রুটি ও ভাতের মতো কার্বোহাইড্রেট খেতে হবে বেছে বেছে , আমি সবসময় রিফাইন বা মসৃণ কার্ব না খেয়ে বরং একটু জটিল ধরনের (মোটা আটার) কার্ব খাওয়ার কথা বলবো, যেমন বাদামী চাল, আস্ত শস্য দানা সমেত মোটা আটার রুটি।
প্রতিদিন হাসুন - সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত আনন্দের এটা মনে রাখতে হবে, এটাকে দৈনন্দিন টুকিটাকি কাজের অংশ হিসেবে দেখলে হবে না, এখানে মানসিকতার একটা পরিবর্তন প্রয়োজন, ডঃ হারপার বলেন, এজন্যে ইতিবাচক মনোভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ, থাকতে হবে হাসিখুশি, তিনি বলেছেন এমন কিছু করুণ যা প্রতিদিন আপনাকে হাসিখুশি রাখবে,
বইটি লিখতে গিয়ে গবেষণা করার সময় তিনি একজন বিজ্ঞানীর করা একটি গবেষণা খুঁজে পেয়েছেন যেখানে তিনি দীর্ঘ আয়ুর সাথে তিনি হাসিখুশির থাকার একটা সম্পর্কে খুঁজে পেয়েছেন।
চাপমুক্ত থাকার রাস্তা খুঁজে বের করুন - আমাদের অনেকেই নানা রকমের স্ট্রেসের মধ্যে থাকি বা মানসিক চাপে ভুগি, এর একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে আমাদের স্বাস্থ্যের উপর, সেটা শারীরিক ও মানসিক দু'ধরনের স্বাস্থ্যেরই ক্ষতি করে।
স্ট্রেস বা চাপ কমাতে হবে ,আজকের দিনে নানা কারণে স্ট্রেসের সৃষ্টি হয়, সেটা কাজের কারণে হতে পারে, হতে পারে সম্পর্কের কারণেও, পারিবারিক কারণেও হয়, কিন্তু এসব চাপ থেকে কীভাবে মুক্ত থাকা যায় তার উপায় প্রত্যেককে আলাদা আলাদাভাবে খুঁজে নিতে হবে, কারণ একেকজনের বেলায় এটা একেকভাবে কাজ করে, বলেছেন ডঃ হারপার, এজন্যে একজন চিকিৎসক কিম্বা এসংক্রান্ত অন্যান্য পেশাজীবীদের কাছ থেকেও সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন।
এই লেখাটি
একজন চিকিৎসক ভিবিন্ন গবেষণা করে লিখেছেন,নিশ্চই মহান আল্লাহ অনাকে এ ধরনের
অবিজ্ঞতা অর্জনের ক্ষমতা দিয়েছেন ।
ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে এই লেখাটি পড়ার জন্য ।


No comments